"আমার দেখা বাংলাদেশের ৬৪ জেলা"
জেলা- রংপুর।
বিভাগ- রংপুর।
আমি একজন যাযাবর মানুষ।বাংলার পথে প্রান্তরে ছুটে বেড়াচ্ছি ছন্নছাড়াদের মত। "আমার দেখা বাংলাদেশের ৬৪ জেলা" এই এ্যালবামের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
ঐতিহ্যবাহী ডিমলা কালীমন্দির।
রংপুর।
দুই বছর পর রাজা জানকি বল্লভ সেন মারা গেলে তার স্ত্রী বৃন্দারাণী চৌধুরানী ডিমলা রাজদেবোত্তর এস্টেটটি পরিচালনার দায়িত্ব নেন। এ সময় দ্রুতগতিতে এগোতে থাকে কালীমন্দিরের নির্মাণকাজ। চিত্রকলা শিল্পীদের নিপুণ ছোঁয়ায় ১৯১৬ সালে শেষ হয় সুবৃহৎ কালীমন্দিরের নির্মাণকাজ।
এর আগে ১৯০৮ সালে রাজা জানকি বল্লভ সেন কালী মাতা বিগ্রহ, লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ বিগ্রহ, মদন মোহন জিউ বিগ্রহ, রামচন্দ্র বিগ্রহের নামে রেজিস্ট্রি দলিলে তার সম্পত্তি ডিমলা রাজদেবোত্তর এস্টেট-এর নামে দান করেন।
মন্দিরটিতে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব, শারদীয় দুর্গোৎসব, অমাবস্যা, জন্মাষ্টমী, কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমা, দোলযাত্রা, শিবরাত্রি ব্রত, রাম জন্মজয়ন্তিসহ সরস্বতী ও দীপান্বিতা কালীপূজার রাতে বিশেষ পূজা ও উৎসব আয়োজনে দূরদূরান্তের ভক্তদের আগমনে ভরে ওঠে এর পুরো প্রাঙ্গণ।
রংপুর।
দুই বছর পর রাজা জানকি বল্লভ সেন মারা গেলে তার স্ত্রী বৃন্দারাণী চৌধুরানী ডিমলা রাজদেবোত্তর এস্টেটটি পরিচালনার দায়িত্ব নেন। এ সময় দ্রুতগতিতে এগোতে থাকে কালীমন্দিরের নির্মাণকাজ। চিত্রকলা শিল্পীদের নিপুণ ছোঁয়ায় ১৯১৬ সালে শেষ হয় সুবৃহৎ কালীমন্দিরের নির্মাণকাজ।
এর আগে ১৯০৮ সালে রাজা জানকি বল্লভ সেন কালী মাতা বিগ্রহ, লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ বিগ্রহ, মদন মোহন জিউ বিগ্রহ, রামচন্দ্র বিগ্রহের নামে রেজিস্ট্রি দলিলে তার সম্পত্তি ডিমলা রাজদেবোত্তর এস্টেট-এর নামে দান করেন।
মন্দিরটিতে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব, শারদীয় দুর্গোৎসব, অমাবস্যা, জন্মাষ্টমী, কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমা, দোলযাত্রা, শিবরাত্রি ব্রত, রাম জন্মজয়ন্তিসহ সরস্বতী ও দীপান্বিতা কালীপূজার রাতে বিশেষ পূজা ও উৎসব আয়োজনে দূরদূরান্তের ভক্তদের আগমনে ভরে ওঠে এর পুরো প্রাঙ্গণ।
রংপুর
টাউন হল বাংলাদেশের ঐতিহাসিক রঙ্গপুর নাট্য সমাজ (আরডিএ) ১৮৯৬ সালে এটি
প্রতিষ্ঠা করে। রংপুরের নাগরিক সমাজের ইতিহাসে এর একটি গৌরবময় ভূমিকা
রয়েছে।বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে এটি অন্যতম। এটি শহরের
অন্যতম পরিচিত একটি স্থাপনা। বর্তমান টাউন হলের ভবনটি ১৯১৩ সালে নির্মিত
হয়েছিল।
এই স্থাপনার ইতিহাসের সাথে রংপুরের সংস্কৃতির একটা ইতিহাস জড়িত।ইতিহাস থেকে যা জানা যায় তা হলো-
১৮৮৫ সালে প্রথমবারের মত আরডিএ রংপুরে একটি নাট্যমঞ্চ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে কাকিনার তৎকালীন জমিদার নগরীর প্রাণকেন্দ্রে এক টুকরো জমি দান করেন। ১৮৯৬ সালে ব্রিটিশ সরকারের ভারত সচিব দ্বারা জমির টুকরাটি আরডিএর কাছে হস্তান্তর করেন। এখানে মঞ্চস্থ প্রথম নাটকটি ছিল মাইকেল মধুসূদন দত্তের "শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯)" নাটক। কিন্তু অন্য একটি সূত্র অনুসারে এখানে মঞ্চস্থ প্রথম নাটকটি ছিল রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত "কুলিনকুলসর্বস্ব" (১৮৫৪)। এই টাউন হল প্রাঙ্গনে সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন গ্রন্থাগার, রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি (প্রতিষ্ঠা ১৮৫৪) রয়েছে। এর পাশাপাশি কলকাতার বাইরে "বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ" -এর প্রথম শাখা ছিল, "রংপুর সাহিত্য পরিষদ" এই লাইব্রেরীর একাংশেই প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় রংপুরের মাটিতে প্রাণ দেয়া শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে এই প্রাঙ্গনেই রয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন এবং অনন্য " শহীদ মিনার"। টাউন হলটির সাথে রংপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালে রংপুরের প্রতিরোধী বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের এবং নিরীহ জনতার বিরুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের স্বাক্ষী দেয় এই ভবন। সেসময় এটি "কনসেনট্রেশন ক্যাম্প" এবং টর্চার সেল হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। এখন পুরো ক্যাম্পাসে রয়েছে- রংপুরের দুটি প্রধান লাইব্রেরি- পাবলিক লাইব্রেরি এবং জেলা লাইব্রেরি, শহীদ মিনার এবং রংপুরের আঞ্চলিক "শিল্পকলা একাডেমি"।
এই স্থাপনার ইতিহাসের সাথে রংপুরের সংস্কৃতির একটা ইতিহাস জড়িত।ইতিহাস থেকে যা জানা যায় তা হলো-
১৮৮৫ সালে প্রথমবারের মত আরডিএ রংপুরে একটি নাট্যমঞ্চ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে কাকিনার তৎকালীন জমিদার নগরীর প্রাণকেন্দ্রে এক টুকরো জমি দান করেন। ১৮৯৬ সালে ব্রিটিশ সরকারের ভারত সচিব দ্বারা জমির টুকরাটি আরডিএর কাছে হস্তান্তর করেন। এখানে মঞ্চস্থ প্রথম নাটকটি ছিল মাইকেল মধুসূদন দত্তের "শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯)" নাটক। কিন্তু অন্য একটি সূত্র অনুসারে এখানে মঞ্চস্থ প্রথম নাটকটি ছিল রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত "কুলিনকুলসর্বস্ব" (১৮৫৪)। এই টাউন হল প্রাঙ্গনে সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন গ্রন্থাগার, রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি (প্রতিষ্ঠা ১৮৫৪) রয়েছে। এর পাশাপাশি কলকাতার বাইরে "বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ" -এর প্রথম শাখা ছিল, "রংপুর সাহিত্য পরিষদ" এই লাইব্রেরীর একাংশেই প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় রংপুরের মাটিতে প্রাণ দেয়া শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে এই প্রাঙ্গনেই রয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন এবং অনন্য " শহীদ মিনার"। টাউন হলটির সাথে রংপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালে রংপুরের প্রতিরোধী বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের এবং নিরীহ জনতার বিরুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের স্বাক্ষী দেয় এই ভবন। সেসময় এটি "কনসেনট্রেশন ক্যাম্প" এবং টর্চার সেল হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। এখন পুরো ক্যাম্পাসে রয়েছে- রংপুরের দুটি প্রধান লাইব্রেরি- পাবলিক লাইব্রেরি এবং জেলা লাইব্রেরি, শহীদ মিনার এবং রংপুরের আঞ্চলিক "শিল্পকলা একাডেমি"।
গজঘণ্টা জমিদার বাড়িটি উমাকান্ত জমিদার বাড়ি নামে বেশি
প্রচলিত। উমাকান্ত জমিদার বাড়ি কবে তৈরি করা হয়েছে তার কোন ইতিহাস পাওয়া
যায়নি। জমিদারি প্রথা বিলুপ্তি হলে উমাকান্তের বংশধররা এই জমিদার বাড়িসহ
বিভিন্ন স্থাপনা জনাব এমদাদ আলী নামে একজনের কাছে বিক্রি করে জান।






0 মন্তব্যসমূহ