ফুলের রাজ্যে ফুলের মেলা, ঘুরে এলাম ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী পানিসারা। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী ফুল উৎসব শুরু হয়েছে, আজ ছিল তার তৃতীয় দিন অর্থাৎ শেষ দিন।পানিসারা আমার বোনের শশুর বাড়ী শ্রদ্ধেয় দুলাভাই মীর আলী মোরশেদ আমেরিকান প্রবাসী সপরিবারে বেড়াতে গিয়েছিলাম অনেক কিছু দেখলাম মজা করলাম।
কিসের কক্সবাজার, কিসের কূয়াকাটা হাজার হাজার নারী পুরুষ, ছেলে মেয়েদের ভিড়ে মুখরিত পুরো এলাকা। সেজেছে সবাই ফুলের রঙে, কিছুটা পহেলা বৈশাখের মত হলেও এই মেলার বিশালতা ছিল অনেক বড়। নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা খুবই মুসকিল। ফুলের স্টল, পিঠা পায়েসের স্টল, চপপটি ফুসকার স্টল, কপি হাউজসহ আরো কত কিছুর সমারোহ বলে বুঝানো কঠিন।
আবার মনে হতে পারে বিয়ে বাড়ি, হাজারো তরুণ তরুণীরা ফুলের রঙে সেজেছে। মনেহচ্ছে কয়েকটি উৎসব মিলেমিশে একাকার, লোক জনের উৎসাহের কমতি নেই।
এরকম মেলা ইতিপূর্বে আমার জানামতে হয়নি। দূর দূরান্ত থেকে গাড়ি ভর্তি করে লোকজনদের মেলায় যেভাবে আসতে দেখলাম, তাতে আমার খুব ভালো লাগলো।
বর্তমানে দেশী-বিদেশী পর্যাটকের আনাগোনাও বেড়েছে, গড়ে উঠেছে পিকনিক স্পটও। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাস বোঝাই করে পিকনিক আসা লোকের সংখ্যাও কম নয়।
মেলায় গিয়ে একটা জিনিস খুব ভালো লাগলো, ৩/৪ বিঘা জমিতে একটা ফুলের বাগান করা হয়েছে। প্রতিজন ২৫ টাকা করে টিকিট কেটে এই বাগানে প্রবেশ করেতে হচ্ছে, আমরাও টিকিট কেটে প্রবেশ করলাম। দেশি-বিদেশি নানান ফুলের সমাহার, মুহূর্তে মনটা ভালো হয়ে গেল। সুন্দর একটা পার্কের মত অবস্থা তৈরি করেছে, ছোট ছোট রাস্তা, কয়েকটি নান্দনিক স্থপনা মানুষকে দারুণ ভাবে আকৃষ্ট করছে। এর মধ্যেই কয়েক শত লোক, ফুল বিক্রি নয় ফুল দেখিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা রোজগার করবে তারা।
যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই মেলার আয়োজন করেছেন, তাদের জন্য শুভকামনা। ভালো থাকুন সবাই, আল্লাহ হাফেজ।


.jpeg)
.jpeg)
0 মন্তব্যসমূহ